Posts

Showing posts with the label ধীবর বৃত্তান্ত

আংটি পাওয়ার পরে ধীবরের যে যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল তা নিজের ভাষায় লেখো।

 ধীবরের অভিজ্ঞতা : কালিদাসের ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে ধীবরের জীবনে আংটি পাওয়াকে কেন্দ্র করে নানা অভিজ্ঞতা ঘটে। মাছ ধরার সময় ধীবর একটি বুইমাছ কাটতে গিয়ে তার পেটের ভিতর থেকে রাজার নাম খোদাই করা একটি মণিখচিত আংটি পায়। এই আংটি দেখে নগররক্ষায় নিযুক্ত রাজার শ্যালক ও দু’জন রক্ষী ধীবরকে চোর সন্দেহে ধরে ফেলে। তারা ধীবরের কথা বিশ্বাস না করে তার হাতে হাতকড়া পরিয়ে অপমান করে রাজসভায় নিয়ে আসে। রক্ষীরা তাকে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করে নানা কটুক্তি করে এবং চুরির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথাও বলে। ধীবর বারবার জানায় যে সে চুরি করেনি, মাছের পেট থেকেই আংটি পেয়েছে। শুরুতে কেউ তার কথা বিশ্বাস না করলেও রাজশ্যালক বিষয়টি যাচাই করতে রাজা দুষ্মন্তের কাছে যান। পরে ফিরে এসে তিনি জানান যে ধীবর সত্য কথাই বলেছে। এরপর ধীবর মুক্তি পায় এবং রাজা খুশি হয়ে তাকে আংটির সমমূল্যের অর্থ পুরস্কার দেন। যদিও ধীবরের সেদিনের কাজ নষ্ট হয়, তবু রাজপুরস্কারে তার ক্ষতি পূরণ হয়। এভাবে আংটি পাওয়ার ফলে ধীবর অপমান, ভয় ও শেষে আনন্দ—সব ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়।

"শকুন্তলা অপমানিতা হলেন রাজসভায়।" কোন রাজসভায় শকুন্তলা অপমানিতা হন? তাঁর অপমানিতা হওয়ার কারণ কী? ১+৪

  রাজসভার পরিচয় : উল্লিখিত অংশে রাজা দুষ্মন্তের রাজসভায় শকুন্তলার অপমানিতা হওয়ার কথা বলা হয়েছে। শকুন্তলার অপমানিতা হওয়ার কারণ: তপোবনে মহর্ষি কম্বের অনুপস্থিতিতে রাজা দুষ্মন্ত তাঁর পালিতা কন্যা শকুন্তলাকে বিয়ে করে রাজধানীতে ফিরে যান। দীর্ঘকাল দুমন্ডের কাছ থেকে শকুন্ডলার কোনো খোঁজ নিতে কেউ আসে না। দুঃখিনী শকুন্তলা স্বামীর চিন্তায় অন্যমনস্কা হয়ে থাকেন। তাই মহর্ষির আশ্রমে ঋষি দুর্বাসা এলে শকুন্তলা ঋষির উপস্থিতি টের পান না। অপমানিত দুর্বাসা অভিশাপ দেন যে, শকুন্তলা খাঁর চিন্তায় মগ্ন রয়েছেন সে একদিন শকুন্তলাকে ভুলে যাবে। শেষপর্যন্ত শকুন্তলার সখী প্রিয়ংবদার অনুরোধে দুর্বাসা বলেন যে, শকুন্তলা কোনো স্মারকচিহ্ন দেখাতে পারলে তাঁর এই অভিশাপের প্রভাব দূর হয়ে যাবে। এরপর সখীরা ভাবে যে, বিদায় নেওয়ার আগে যে আংটিটি দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে পরিয়ে দিয়ে গিয়েছেন, সেটিই হবে ভবিষ্যতের স্মারকচিহ্ন। মহর্ষি কম্ব তীর্থ থেকে ফিরে শকুন্তলাকে স্বামীর ঘরে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যাওয়ার পথে শচীতীর্থে স্নানের পরে অগুলি দেওয়ার সময়ে শকুন্তলার হাতের আংটিটি জলে পড়ে যায়। ফলে দুর্বাসার অভিশাপ বজায় থাকে। সভা...