Posts

Showing posts with the label Bengali

"সেই দিকে ধাবিত হয়।"-কে, কেন 'সেইদিকে ধাবিত' হয়?

 তপনের ছোটোমাসি তপনের লেখা গল্পটি তার লেখক স্বামীকে দেখানোর উদ্দেশ্যে সেই দিকে ধাবিত হয়।   

"ছোটোমাসি সেই দিকে ধাবিত হয়।” ছোটোমাসি কোন্দিকে ছুটে যায়?

তপনের নতুন মেসো যেখানে দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন, ছোটোমাসি সেই দিকে ছুটে যায়।

তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি কী বলেছিল?

 তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি তারিফ করে এবং মুরুব্বির ভাব এনে রসিকতার ছলে জিজ্ঞাসা করে, লেখাটা কোথাও থেকে টুকলি করা হয়েছে কি না।

"তবে তপনেরই বা লেখক হতে বাধা কী?" কোন্ যুক্তিতে এমন প্রশ্ন?

 'লেখক' মানে কোনো আকাশ-থেকে-পড়া জীব নয়, তপনের মতোই মানুষ- এই যুক্তিতেই এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছে।

"তপনদের মতোই মানুষ।"-এ কথা বলার কারণ কী?

 তপনের ধারণা ছিল, লেখকরা আর পাঁচজন মানুষের মতো নন। কিন্তু নতুন লেখক-মেসোর জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখে তপনের মনে হয়, তিনিও সবার মতোই একজন সাধারণ মানুষ।

তপনের মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কেন?

 তপনের মেসো কলেজের প্রফেসার। কলেজে গরমের ছুটি চলছে বলে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন।

"সিনেমা দেখতে চলে যান।"কে, কখন সিনেমা দেখতে চলে যান?

 তপনের নতুন লেখক-মেসো খবরের কাগজের সব কথা নিয়ে গল্প করেন, তর্ক করেন এবং শেষপর্যন্ত 'এদেশের কিছু হবে না' বলে সিনেমা দেখতে চলে যান।

"একেবারে নিছক মানুষ।"- তপন 'নিছক মানুষ' হিসেবে কার কী কী করার প্রসঙ্গ তুলেছে?

 'নিছক মানুষ' হিসেবে তপন তার লেখক মেসোর প্রসঙ্গে ভেবেছে যে, তিনি, বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতো দাড়ি কামান, সিগারেট খান, বেশি খাওয়া যায় না-বলে অর্ধেক তুলে দেন ইত্যাদি।

"এবিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের।" কোন বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল?

 লেখক-সাহিত্যিকেরাও যে তার বাবা, মেজোকাকা, ছোটোমামার মতো সাধারণ মানুষ-এই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।

"তাই জানত না।" 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের তপন কী জানত না?

 জলজ্যান্ত কোনো লেখককে যে এত কাছ থেকে দেখা যায়-তপন সেই ব্যাপারটি জানত না।

"সত্যিকার লেখক"- উক্তিটির মধ্য দিয়ে তপনের কোন্ মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

 উদ্ধৃতাংশটিতে তপন তার ছোটোমেসো লেখক শুনে অবাক হয়ে যায়। সে জানত, লেখকদের খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ছোটোমেসোকে সত্যিকারের লেখক জেনে সে বিস্মিত হয়।

তপন মামার বাড়িতে কেন এসেছিল?

 আশাপূর্ণা দেবী রচিত 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে উল্লিখিত তপন ছোটোমাসির বিয়ে উপলক্ষ্যে মামার বাড়িতে এসেছিল।

"সেই তিনি নাকি বই লেখেন।"-'সেই তিনি' মানুষটি কে?

 প্রশ্নোদ্ভূত 'সেই তিনি' মানুষটি হলেন তপনের নতুন মেসোমশাই।

"কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।”-চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়ার অর্থ কী?

 এখানে চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়ার অর্থ হল চোখ স্থির হয়ে যাওয়া বা অবাক হয়ে যাওয়া। নতুন মেসো লেখক শুনে তপনের হতভম্ব হওয়ার কারণেই উদ্ধৃতাংশের অবতারণা।

"কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।" -কোন্ কথা শুনে তপনের এই অবস্থা?

 তপনের নতুন মেসোমশাই বই লেখেন, তাঁর লেখা অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে -এসব কথা শুনে তপনের এই অবস্থা।

'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের প্রধান চরিত্র কে?

 আশাপূর্ণা দেবীর 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের প্রধান চরিত্র হল তপন।

'হিমালয় দর্শন' রচনাংশটিতে পার্বত্যজাতি সম্পর্কে লেখিকার কীরূপ মনোভাব ফুটে উঠেছে?

লেখিকার মনোভাব : বেগম রোকেয়া তাঁর ‘হিমালয় দর্শন’ রচনাংশে পার্বত্যজাতি সম্পর্কে গভীর শ্রদ্ধা, সহানুভূতি ও বাস্তববোধসম্পন্ন মনোভাব প্রকাশ করেছেন। প্রথমত, নারীসমাজের প্রতি শ্রদ্ধা—লেখিকা পাহাড়ি নারীদের দুর্বল বা অবলা বলে মনে করেননি। বরং তাঁদের শ্রমশীলতা, সাহস, সত্যবাদিতা ও আত্মনির্ভরশীলতাকে বিশেষভাবে মর্যাদা দিয়েছেন। পাহাড়ি নারীরা পুরুষের ওপর নির্ভরশীল নয়—এই স্বাধীনচেতা মনোভাব লেখিকাকে মুগ্ধ করেছে। দ্বিতীয়ত, কষ্টসহিষু ও পরিশ্রমী মানুষের প্রতি সহানুভূতি—দুর্গম পার্বত্যপথে ভারী বোঝা বহন করেও পাহাড়ি নারীদের নিরলস পরিশ্রম লেখিকার মনে গভীর সহানুভূতির জন্ম দিয়েছে। সমতলবাসীর কাছে যা দুঃসাহসিক, পাহাড়বাসীদের কাছে তা নিত্যদিনের বাস্তবতা। তৃতীয়ত, সমকালীন পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ—লেখিকা মনে করেছেন, সমতলবাসীদের সংস্পর্শে এসে পার্বত্যজাতির মানুষ, বিশেষত নারীরা তাঁদের স্বাভাবিক সরলতা ও সদ্‌গুণ কিছুটা হারাচ্ছে। এই পরিবর্তন তাঁকে ব্যথিত করেছে। সারকথা, পার্বত্যজাতির প্রতি লেখিকার মনোভাব একদিকে শ্রদ্ধাশীল ও মানবিক, অন্যদিকে সচেতন ও সমালোচনামুখর।

ইহারা উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী নহে;"-'ইহারা' কারা? উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী না হওয়ার কারণ হিসেবে লেখিকা কোন্ দিকটির প্রতি আলোকপাত করেছেন?

‘ইহারা’-দের পরিচয় (১): বেগম রোকেয়ার ‘হিমালয় দর্শন’ রচনার উল্লিখিত অংশে ‘ইহারা’ বলতে পাহাড়ি অঞ্চলের ভুটিয়া রমণীদের কথা বলা হয়েছে। উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী না হওয়ার কারণ / তাঁদের জীবনযাত্রার স্বরূপ (৪): বেগম রোকেয়া কার্সিয়াং ভ্রমণের সময় পাহাড়ি ভুটিয়া নারীদের কঠোর ও সংগ্রামী জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি লক্ষ করেন, এই নারীরা অসম্ভব পরিশ্রমী ও সাহসী। এবড়োখেবড়ো পাহাড়ি পথে তারা দু-এক মন ভারী বোঝা কাঁধে নিয়ে অনায়াসে ওঠানামা করে, যা সমতলের পুরুষদের পক্ষেও কল্পনাতীত। তাঁরা সংসারের উপার্জনে পুরুষদের সঙ্গে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেরাই জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম। তাই উদরান্নের জন্য তাদের পুরুষদের ওপর নির্ভর করতে হয় না। এই কর্মক্ষমতা ও স্বাবলম্বিতাই লেখিকার চোখে ‘নারী অবলা’ ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে। বরং এই পাহাড়ি নারীদের তুলনায় তথাকথিত সবল পুরুষেরা যেন ‘বালক-বালিকার দলভুক্ত’ বলে মনে হয়। এইভাবে লেখিকা ভুটিয়া নারীদের পরিশ্রমী, সাহসী, স্বাবলম্বী ও স্বাধীনচেতা জীবনযাত্রাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

শকুন্তলার সখীর নাম কি?

 শকুন্তলার সখীর নাম প্রিয়ংবদা

সপ্তম শ্রেণীর মডেল কোশ্চেন

 ক) সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (যে কোনো ৮ টি) – ১×৮=৮ ১) খোকন এখন পরে ক্লাস – (টেন এ / সেভেন এ / নাইন এ) ২) (মিশন হাই স্কুল / টাউন হাই স্কুল) হাফ টাইমের আগে একটি গোল দেয়। ৩) গণেশ লেখে – (উপন্যাস / কবিতা / গল্প) ৪) মনের মাঝে মজা জমলে জীবন হবে – (গদ্যময় / গল্পময় / পদ্যময়) ৫) ‘নোট বই’ কবিতাটি লিখেছেন – (সত্যজিৎ রায় / সুকুমার রায় / কাজী নজরুল ইসলাম) ৬) কালস্রোত বলতে বুঝিয়েছেন – (নদীর স্রোত / সময়ের স্রোত / ভাটার টান) ৭) দিনু বাবু দাঁত তোলার জন্য – (কলকাতা / শান্তিনিকেতন / শিলাইদহ) আসেন। ৮) আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস – (১৪ই ফেব্রুয়ারি / ১৪ই নভেম্বর / ২১শে ফেব্রুয়ারি) ৯) ননীবালা দেবীর জন্ম – (১৮৮৮ / ১৯৮৮ / ১৯৪৭) ১০) হ্যান্ডবিল শব্দের অর্থ – (প্রচার পত্র / হাত খরচ / ছবি) খ) শূন্যস্থান পূরণ করো (যে কোনো ৮ টি) – ১×৮=৮ ১) _____ ছবিটি দেখেও খুব প্রশংসা করলেন মাস্টারমশাই। ২) দিব্যেন্দুবাবু ________ খায়। ৩) বিন্ধ্য _____ যমুনা ____ উচ্ছলজলধিতরঙ্গ। ৪) দলে দলে _______ ভেসে আসচে। ৫) শামুকরা চলে তাদের একখানি _______ পা দিয়ে। ৬) ইমারত মাত্রেরই একটা সাইট _______ আছে। ৭) গর্ত থেকে ইঁদুর, সেটাও ______...