Posts

Showing posts with the label রক্ষীগণ ও রাজশ্যালকের ভূমিকা

"আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম।" কোন চেষ্টার কথা এখানে বলা হয়েছে?

 মেসোর সহযোগিতায় তপনের নতুন লেখা 'প্রথম দিন' গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে জেনে তার মেজোকাকু বলেন যে, ওরকম একজন মেসোমশাই থাকলে তাঁরাও গল্প লেখার চেষ্টা করতেন।

ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশে রক্ষীগণ ও রাজশ্যালকের ভূমিকা আলোচনা করো।

ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে রক্ষীগণ ও রাজশ্যালকের ভূমিকা কালিদাস রচিত ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে রক্ষীগণ ও রাজশ্যালকের ভূমিকা নাটকের সংঘাত ও মানবিকতার দ্বন্দ্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। রক্ষীদের ভূমিকা নাট্যাংশে রক্ষীদের ভূমিকা প্রধানত নিষ্ঠুরতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের পরিচায়ক। ধীবরের কাছে রাজার নামাঙ্কিত মণিখচিত আংটি দেখে তাঁরা কোনো তদন্ত না করেই তাকে চোর বলে ধরে নেয়। পিছনে হাত বেঁধে ধীবরকে রাজদরবারে হাজির করার মাধ্যমে তাঁদের কঠোরতা ও দমনমূলক মানসিকতা প্রকাশ পায়। রক্ষীরা ধীবরকে ‘বাটপাড়’, ‘গাঁটকাটা’ প্রভৃতি অপমানজনক শব্দে সম্বোধন করে এবং নির্মম কৌতুক করে। রাজার আদেশ আসার আগেই তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য তারা ব্যাকুল হয়ে ওঠে। “শকুনি দিয়ে খাওয়ানো হবে” বা “কুকুর দিয়ে খাওয়ানো হবে”—এই ধরনের মন্তব্য রক্ষীদের চরম অমানবিকতা ও অবিবেচনার পরিচয় দেয়। ফলে রক্ষীরা এখানে ক্ষমতালোভী ও নিষ্ঠুর চরিত্ররূপে চিহ্নিত। রাজশ্যালকের ভূমিকা রাজশ্যালক প্রথমে ধীবরের পেশা নিয়ে ঠাট্টা করলেও রক্ষীদের তুলনায় তিনি অধিক দায়িত্বশীল ও সংযত। নগররক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে তিনি রাজার আদেশের অপেক্ষা করেন এবং ধীবরকে নিজের বক্ত...