কোন্ কোন্ ভাষার উল্লেখ করে লেখক এ কথা বলেছেন (৩):
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে লেখক সংস্কৃত, হিব্রু, গ্রিক, আবেস্তা এবং আংশিকভাবে প্রাচীন আরবি ভাষার উল্লেখ করেছেন। লেখকের মতে প্রাচীন যুগের ভাষাগুলি নতুন ভাব বা নতুন বস্তুকে প্রকাশ করার জন্য নিজেদের ভাষার ধাতু ও শব্দভাণ্ডার থেকেই নতুন শব্দ সৃষ্টি করত। তারা অন্য ভাষা থেকে খুব কম শব্দ গ্রহণ করত। এই আত্মনির্ভরশীলতার কারণেই লেখক বলেছেন— “প্রাচীন যুগের সব ভাষাই তাই”।
বর্তমান যুগের দুটি ভাষা সম্পর্কে লেখকের মত (২):
বর্তমান যুগের ভাষা হিসেবে লেখক ইংরেজি ও বাংলা ভাষার কথা বলেছেন। লেখকের মতে এই ভাষাগুলি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, কারণ তারা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য ভাষা থেকে প্রচুর শব্দ গ্রহণ করেছে। পাঠান-মোগল যুগে বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং পরে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা থেকেও বহু শব্দ গ্রহণ করেছে। একইভাবে ইংরেজি ভাষাও বিভিন্ন ভাষা থেকে শব্দ নিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে।
Comments
Post a Comment