Posts

Showing posts from February, 2026

"সেই দিকে ধাবিত হয়।"-কে, কেন 'সেইদিকে ধাবিত' হয়?

 তপনের ছোটোমাসি তপনের লেখা গল্পটি তার লেখক স্বামীকে দেখানোর উদ্দেশ্যে সেই দিকে ধাবিত হয়।   

"ছোটোমাসি সেই দিকে ধাবিত হয়।” ছোটোমাসি কোন্দিকে ছুটে যায়?

তপনের নতুন মেসো যেখানে দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন, ছোটোমাসি সেই দিকে ছুটে যায়।

তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি কী বলেছিল?

 তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি তারিফ করে এবং মুরুব্বির ভাব এনে রসিকতার ছলে জিজ্ঞাসা করে, লেখাটা কোথাও থেকে টুকলি করা হয়েছে কি না।

"তবে তপনেরই বা লেখক হতে বাধা কী?" কোন্ যুক্তিতে এমন প্রশ্ন?

 'লেখক' মানে কোনো আকাশ-থেকে-পড়া জীব নয়, তপনের মতোই মানুষ- এই যুক্তিতেই এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছে।

"তপনদের মতোই মানুষ।"-এ কথা বলার কারণ কী?

 তপনের ধারণা ছিল, লেখকরা আর পাঁচজন মানুষের মতো নন। কিন্তু নতুন লেখক-মেসোর জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখে তপনের মনে হয়, তিনিও সবার মতোই একজন সাধারণ মানুষ।

তপনের মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কেন?

 তপনের মেসো কলেজের প্রফেসার। কলেজে গরমের ছুটি চলছে বলে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন।

"সিনেমা দেখতে চলে যান।"কে, কখন সিনেমা দেখতে চলে যান?

 তপনের নতুন লেখক-মেসো খবরের কাগজের সব কথা নিয়ে গল্প করেন, তর্ক করেন এবং শেষপর্যন্ত 'এদেশের কিছু হবে না' বলে সিনেমা দেখতে চলে যান।

"একেবারে নিছক মানুষ।"- তপন 'নিছক মানুষ' হিসেবে কার কী কী করার প্রসঙ্গ তুলেছে?

 'নিছক মানুষ' হিসেবে তপন তার লেখক মেসোর প্রসঙ্গে ভেবেছে যে, তিনি, বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতো দাড়ি কামান, সিগারেট খান, বেশি খাওয়া যায় না-বলে অর্ধেক তুলে দেন ইত্যাদি।

"এবিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের।" কোন বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল?

 লেখক-সাহিত্যিকেরাও যে তার বাবা, মেজোকাকা, ছোটোমামার মতো সাধারণ মানুষ-এই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।

"তাই জানত না।" 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের তপন কী জানত না?

 জলজ্যান্ত কোনো লেখককে যে এত কাছ থেকে দেখা যায়-তপন সেই ব্যাপারটি জানত না।

"সত্যিকার লেখক"- উক্তিটির মধ্য দিয়ে তপনের কোন্ মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

 উদ্ধৃতাংশটিতে তপন তার ছোটোমেসো লেখক শুনে অবাক হয়ে যায়। সে জানত, লেখকদের খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ছোটোমেসোকে সত্যিকারের লেখক জেনে সে বিস্মিত হয়।

তপন মামার বাড়িতে কেন এসেছিল?

 আশাপূর্ণা দেবী রচিত 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে উল্লিখিত তপন ছোটোমাসির বিয়ে উপলক্ষ্যে মামার বাড়িতে এসেছিল।

"সেই তিনি নাকি বই লেখেন।"-'সেই তিনি' মানুষটি কে?

 প্রশ্নোদ্ভূত 'সেই তিনি' মানুষটি হলেন তপনের নতুন মেসোমশাই।

"কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।”-চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়ার অর্থ কী?

 এখানে চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়ার অর্থ হল চোখ স্থির হয়ে যাওয়া বা অবাক হয়ে যাওয়া। নতুন মেসো লেখক শুনে তপনের হতভম্ব হওয়ার কারণেই উদ্ধৃতাংশের অবতারণা।

"কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।" -কোন্ কথা শুনে তপনের এই অবস্থা?

 তপনের নতুন মেসোমশাই বই লেখেন, তাঁর লেখা অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে -এসব কথা শুনে তপনের এই অবস্থা।

'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের প্রধান চরিত্র কে?

 আশাপূর্ণা দেবীর 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের প্রধান চরিত্র হল তপন।

"আরে বাবা খেপছিস কেন?"- উক্তিটির বক্তা কে? কাকে, কেন বক্তা এই কথা বলেছেন?

 উক্তিটির বক্তা আশাপূর্ণা দেবীর 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের সদ্য বিবাহিত ছোটোমাসি। তপনের লেখা গল্প পড়ে তপনের ছোটোমাসি তার সঙ্গে মজা করছিল। লেখকদের নিয়ে এমনিতেই তপনের মনে একধরনের শ্রদ্ধামিশ্রিত জড়তা ছিল। কিন্তু তপন নিজে একদিন আস্ত একখানি গল্প লিখে ফেলার উত্তেজনায় মাসিকে তা বলে ফেলে। এ কথা শুনে তার মাসি ঠাট্টার সুরে জানতে চায়- সে অন্য কোনো লেখকের লেখা থেকে গল্পটি নকল করেছে কি না। এই প্রশ্নে অবুঝ তপন রেগে উঠলে মাসি তাকে শান্ত করতে উদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছি ল।

'হিমালয় দর্শন' রচনাংশটিতে পার্বত্যজাতি সম্পর্কে লেখিকার কীরূপ মনোভাব ফুটে উঠেছে?

লেখিকার মনোভাব : বেগম রোকেয়া তাঁর ‘হিমালয় দর্শন’ রচনাংশে পার্বত্যজাতি সম্পর্কে গভীর শ্রদ্ধা, সহানুভূতি ও বাস্তববোধসম্পন্ন মনোভাব প্রকাশ করেছেন। প্রথমত, নারীসমাজের প্রতি শ্রদ্ধা—লেখিকা পাহাড়ি নারীদের দুর্বল বা অবলা বলে মনে করেননি। বরং তাঁদের শ্রমশীলতা, সাহস, সত্যবাদিতা ও আত্মনির্ভরশীলতাকে বিশেষভাবে মর্যাদা দিয়েছেন। পাহাড়ি নারীরা পুরুষের ওপর নির্ভরশীল নয়—এই স্বাধীনচেতা মনোভাব লেখিকাকে মুগ্ধ করেছে। দ্বিতীয়ত, কষ্টসহিষু ও পরিশ্রমী মানুষের প্রতি সহানুভূতি—দুর্গম পার্বত্যপথে ভারী বোঝা বহন করেও পাহাড়ি নারীদের নিরলস পরিশ্রম লেখিকার মনে গভীর সহানুভূতির জন্ম দিয়েছে। সমতলবাসীর কাছে যা দুঃসাহসিক, পাহাড়বাসীদের কাছে তা নিত্যদিনের বাস্তবতা। তৃতীয়ত, সমকালীন পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ—লেখিকা মনে করেছেন, সমতলবাসীদের সংস্পর্শে এসে পার্বত্যজাতির মানুষ, বিশেষত নারীরা তাঁদের স্বাভাবিক সরলতা ও সদ্‌গুণ কিছুটা হারাচ্ছে। এই পরিবর্তন তাঁকে ব্যথিত করেছে। সারকথা, পার্বত্যজাতির প্রতি লেখিকার মনোভাব একদিকে শ্রদ্ধাশীল ও মানবিক, অন্যদিকে সচেতন ও সমালোচনামুখর।

ইহারা উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী নহে;"-'ইহারা' কারা? উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী না হওয়ার কারণ হিসেবে লেখিকা কোন্ দিকটির প্রতি আলোকপাত করেছেন?

‘ইহারা’-দের পরিচয় (১): বেগম রোকেয়ার ‘হিমালয় দর্শন’ রচনার উল্লিখিত অংশে ‘ইহারা’ বলতে পাহাড়ি অঞ্চলের ভুটিয়া রমণীদের কথা বলা হয়েছে। উদরান্নের জন্য পুরুষদের প্রত্যাশী না হওয়ার কারণ / তাঁদের জীবনযাত্রার স্বরূপ (৪): বেগম রোকেয়া কার্সিয়াং ভ্রমণের সময় পাহাড়ি ভুটিয়া নারীদের কঠোর ও সংগ্রামী জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি লক্ষ করেন, এই নারীরা অসম্ভব পরিশ্রমী ও সাহসী। এবড়োখেবড়ো পাহাড়ি পথে তারা দু-এক মন ভারী বোঝা কাঁধে নিয়ে অনায়াসে ওঠানামা করে, যা সমতলের পুরুষদের পক্ষেও কল্পনাতীত। তাঁরা সংসারের উপার্জনে পুরুষদের সঙ্গে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেরাই জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম। তাই উদরান্নের জন্য তাদের পুরুষদের ওপর নির্ভর করতে হয় না। এই কর্মক্ষমতা ও স্বাবলম্বিতাই লেখিকার চোখে ‘নারী অবলা’ ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে। বরং এই পাহাড়ি নারীদের তুলনায় তথাকথিত সবল পুরুষেরা যেন ‘বালক-বালিকার দলভুক্ত’ বলে মনে হয়। এইভাবে লেখিকা ভুটিয়া নারীদের পরিশ্রমী, সাহসী, স্বাবলম্বী ও স্বাধীনচেতা জীবনযাত্রাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

"সকলই মনোহর।”-হিমালয় দর্শন' প্রবন্ধ অনুসারে মনোহর দৃশ্যের পরিচয় দাও।

বেগম রোকেয়ার ‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধে ‘সকলই মনোহর’ বলতে হিমালয়ের পাহাড়ি পথে যাত্রাকালে লেখিকার চোখে ধরা পড়া সমগ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকেই বোঝানো হয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে হিমালয়ান রেলগাড়িতে যাত্রা শুরু হলে খেলনা গাড়ির মতো ছোট ট্রেনটি পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে এগোতে থাকে। ট্রেনের দু’পাশে কোথাও সুউচ্চ পাহাড়চূড়া, কোথাও ঘন অরণ্য, আবার কোথাও মেঘে ঢাকা উপত্যকা চোখে পড়ে। নীচের উপত্যকায় ছড়িয়ে থাকা সাদা কুয়াশাকে লেখিকার নদী বলে মনে হয়। সবুজ চা-বাগান প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। পাহাড়ি সংকীর্ণ পথগুলি তাঁকে ধরণীর সিঁথির মতো মনে হয়, আর ঘন সবুজ বনকে তিনি ধরণীর কেশরাশির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই পাহাড়, মেঘ, অরণ্য, উপত্যকা ও সবুজ প্রকৃতির মিলিত রূপই লেখিকার কাছে এতটাই আকর্ষণীয় যে তিনি একে ‘সকলই মনোহর’ বলে অভিহিত করেছেন।

লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী একবার বলেছেন আরবি, ফারসি ভাষা থেকে "ব্যাপকভাবে আর নুতন শব্দ বাংলাতে ঢুকবে না", আবার একবার বলেছেন "অচলিত অনেক কারণ বুঝিয়ে দাও। আরবি-ফার্সি শব্দ নূতন মেয়াদ পাবে।"-এই দুই উক্তিরঅথবা, বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দের ব্যবহার সম্পর্কে 'নব নব সষ্টি' প্রবন্ধ অবলম্বনে আলোচনা করো

  উক্তির কারণপ্রথম “আরবি, ফারসি ভাষা থেকে ব্যাপকভাবে আর নতুন শব্দ বাংলাতে ঢুকবে না।” এই উক্তির পেছনে লেখকের যুক্তি হলো—ভাষায় বিদেশি শব্দের প্রবেশ নির্ভর করে সেই ভাষার সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানচর্চার যোগাযোগের উপর। একসময় আরবি ও ফারসি ভাষার সঙ্গে বাঙালির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল—ধর্ম, শাসনব্যবস্থা, সাহিত্য ও শিক্ষার মাধ্যমে। ফলে বিপুল পরিমাণ আরবি–ফারসি শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছিল। কিন্তু আধুনিক যুগে তরুণ সমাজের মধ্যে আরবি ও ফারসি ভাষা শেখার আগ্রহ ক্রমশ কমে গেছে। পাশাপাশি আরব–ইরান অঞ্চলে আধুনিক বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় নতুন শব্দ সৃষ্টির যে প্রভাব একসময় ছিল, তা আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাই এই ভাষা দুটি থেকে নতুন শব্দ ব্যাপকভাবে বাংলায় ঢোকার সম্ভাবনা ক্ষীণ—এই কথাই লেখক প্রথম উক্তিতে বোঝাতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় উক্তির কারণ “অচলিত অনেক আরবি–ফারসি শব্দ নতুন মেয়াদ পাবে।” অন্যদিকে লেখক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাংলা ভাষায় আগে থেকে প্রবেশ করা আরবি–ফারসি শব্দ কখনোই অচল হয়ে যাবে না। বাংলা সাহিত্য ও ভাষার ইতিহাসে এই শব্দগুলির শিকড় গভীর। মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল থেকে শুরু করে হুতোম প্যাঁচার নকশা পর্যন্ত বহু গ্...

"বিদেশি শব্দ নেওয়া ভালো না মন্দ সে প্রশ্ন অবান্তর।"-মন্তব্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।

আলোচ্য উদ্ধৃতাংশটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ‘নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে লেখক বলেছেন— বিদেশি শব্দ গ্রহণ করা ভালো না মন্দ—এই প্রশ্নটাই অবান্তর। এই মন্তব্যের তাৎপর্য হলো, ভাষা কোনো স্থবির বস্তু নয়; ভাষা একটি জীবন্ত ও পরিবর্তনশীল মাধ্যম। কোনো ভাষা যদি নিজের শব্দভান্ডার থেকে নতুন শব্দ সৃষ্টি করতে পারে, তবে তার স্বয়ংসম্পূর্ণতা প্রমাণিত হয়। কিন্তু তাই বলে বিদেশি শব্দ গ্রহণ করলেই ভাষার ক্ষতি হয়—এমন ধারণা ভুল। বিষয়বস্তুর প্রয়োজন অনুযায়ী বিদেশি শব্দ গ্রহণ করলে ভাষা আরও সমৃদ্ধ, অর্থবহ ও প্রকাশক্ষম হয়ে ওঠে। লেখক নিজেই বলেছেন— “রচনার ভাষা তার বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে।” প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, আরবি, ফারসি প্রভৃতি ভাষার শব্দ স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে। আধুনিক যুগে ইংরেজি ভাষার প্রভাবেও বাংলা ভাষায় বহু ইউরোপীয় শব্দ প্রবেশ করেছে। যেমন—আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেভাবে বিদেশি দ্রব্য ব্যবহার করি, তেমনি বিদেশি শব্দও ভাষায় প্রবেশ করাই স্বাভাবিক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম—উভয়েই তাঁদের রচনায় অনায়াসে বিদেশি শব্দ ব্যবহার করেছেন। নজরুলের ‘ইনকিলাব’, ‘শহিদ’ কিংবা রবীন্দ্রনাথের আ...

"প্রাচীন যুগের সব ভাষাই তাই”।-কোন্ কোন্ ভাষার উল্লেখ করে লেখক কেন এরূপ বলেছেন? এ প্রসঙ্গে বর্তমান যুগের কোন্ দুটি ভাষা সম্পর্কে তিনি কী বলেছেন? ৩+২

কোন্ কোন্ ভাষার উল্লেখ করে লেখক এ কথা বলেছেন (৩): সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে লেখক সংস্কৃত, হিব্রু, গ্রিক, আবেস্তা এবং আংশিকভাবে প্রাচীন আরবি ভাষার উল্লেখ করেছেন। লেখকের মতে প্রাচীন যুগের ভাষাগুলি নতুন ভাব বা নতুন বস্তুকে প্রকাশ করার জন্য নিজেদের ভাষার ধাতু ও শব্দভাণ্ডার থেকেই নতুন শব্দ সৃষ্টি করত। তারা অন্য ভাষা থেকে খুব কম শব্দ গ্রহণ করত। এই আত্মনির্ভরশীলতার কারণেই লেখক বলেছেন— “প্রাচীন যুগের সব ভাষাই তাই”। বর্তমান যুগের দুটি ভাষা সম্পর্কে লেখকের মত (২): বর্তমান যুগের ভাষা হিসেবে লেখক ইংরেজি ও বাংলা ভাষার কথা বলেছেন। লেখকের মতে এই ভাষাগুলি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, কারণ তারা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য ভাষা থেকে প্রচুর শব্দ গ্রহণ করেছে। পাঠান-মোগল যুগে বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং পরে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা থেকেও বহু শব্দ গ্রহণ করেছে। একইভাবে ইংরেজি ভাষাও বিভিন্ন ভাষা থেকে শব্দ নিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে।